ব্লগ
চাকরির প্রতারণা|০৫ ডিসে, ২০২৫
টেলিগ্রাম আপওয়ার্ক-স্টাইল টাস্ক প্রতারণা: ভুক্তভোগীর প্রায় ১.১০ কোটি টাকা ক্ষতি
সিআইডি জানায়, টেলিগ্রাম চক্র টাস্ক কমিশনের প্রলোভন দিয়ে বড় অংকের ডিপোজিটে ভুক্তভোগীদের ফাঁসাত; এ মামলায় একজন গ্রেপ্তার হয়েছে।
শেয়ার:
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সিআইডি সাইবার পুলিশ টেলিগ্রামভিত্তিক টাস্ক/ইনভেস্টমেন্ট প্রতারণা মামলায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়; এক ভুক্তভোগীর প্রায় ১.১০ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ ছিল।
শুরুর দিকে সামান্য লাভ দেখিয়ে আস্থা তৈরি করা হয়। এরপর বেশি লাভের নামে বড় অংকের ডিপোজিট দিতে বাধ্য করা হয়।
ভুক্তভোগী টাকা তুলতে গেলে অতিরিক্ত ফি চেয়ে উইথড্র আটকে দেওয়া হয়। নিজের টাকা তুলতে যদি বারবার নতুন টাকা লাগে, সেটি প্রতারণার লক্ষণ।
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- টাস্ক/ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপ শুরুতে ছোট লাভ দেখায়।
- বেশি লাভের জন্য বড় ডিপোজিট দিতে বলে।
- টাকা তুলতে আবার নতুন ফি দাবি করে।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- টাকা তুলতে আবার টাকা চাইলে সাথে সাথে বন্ধ করুন।
- গ্রুপের চাপ বা স্ক্রিনশট দেখে বিনিয়োগ করবেন না।
- সব প্রমাণ রেখে দ্রুত অভিযোগ করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
ভুয়া লাভ হলো ফাঁদ। স্বতন্ত্র যাচাই ছাড়া ডিপোজিট বাড়াবেন না।
#telegram#task-scam#investment-fraud#upwork#withdrawal