ব্লগ
চাকরির প্রতারণা|১৩ জানু, ২০২৬
টেলিগ্রাম চাকরি প্রতারণা চক্র: গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৫ চীনা নাগরিক, জানায় সিআইডি
সিআইডি জানায়, টেলিগ্রামভিত্তিক বড় প্রতারণা চক্রে বিদেশি নাগরিকসহ গ্রেপ্তার, বিপুল সিম-ভিওআইপি জব্দ এবং ডিজিটাল অর্থ সরানোর প্রমাণ পাওয়া যায়।
শেয়ার:
১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে টিবিএস জানায়, টেলিগ্রামকেন্দ্রিক চাকরি প্রতারণা চক্রে বিদেশি নাগরিকসহ কয়েকজনকে সিআইডি অভিযানে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলে।
তদন্তে বলা হয়, চক্রটি বহু সিম ও ভিওআইপি অবকাঠামো ব্যবহার করে সোশ্যাল/মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন দিত এবং ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক ডিপোজিটে ফাঁসাত।
এটি বড় আকারের সংগঠিত প্রতারণার ইঙ্গিত। টেলিগ্রামভিত্তিক "টাস্ক জব"-এ টাকা দেওয়ার আগে কোম্পানির বৈধতা ও স্বাধীন উৎসে যাচাইকৃত উইথড্র প্রমাণ নিশ্চিত করুন।
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- বেশি বেতন বা নিশ্চিত আয়ের লোভ দেখানো হয়।
- প্রসেসিং/ট্রেনিং/অ্যাক্টিভেশনের নামে টাকা নেওয়া হয়।
- টাকা দেওয়ার পর ব্লক করে বা আবার টাকা চায়।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- টাকা দেওয়ার আগে লাইসেন্স, অফিস ও রেকর্ড যাচাই করুন।
- গ্যারান্টিযুক্ত আয়ের কথা বললে ঝুঁকি ধরে নিন।
- সব রসিদ ও কথোপকথনের প্রমাণ রেখে দিন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
বড় প্রতারণা চক্র প্রযুক্তি ও মানসিক চাপ একসাথে ব্যবহার করে; টাকাসহ টাস্ক স্কিমে যোগ দেওয়ার আগে বৈধতা যাচাই করুন।
#telegram#task-job-scam#voip#sim-farm#cid#cross-border