পিএসসি প্রশ্নফাঁস দমন অভিযান: কর্মকর্তাসহ ১৭ জন গ্রেপ্তার
সিআইডি জানায়, সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস মামলায় পিএসসির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ বড় পরিসরে গ্রেপ্তার হয়েছে।
৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে সিআইডি সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস মামলায় ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পিএসসির ছয় কর্মকর্তা এবং পিএসসি চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীও ছিলেন, যিনি এই চক্রের মূল সংযোগকারী হিসেবে চিহ্নিত।
এই মামলা প্রমাণ করে, প্রশ্নফাঁস নিছক গুজব নয় — এটি একটি পরিকল্পিত নেটওয়ার্ক যারা পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগকে ব্যবসায় রূপ দিয়েছে। একাধিক গণমাধ্যম এই গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেছে।
পরিবারের জন্য পরামর্শ: টাকার বিনিময়ে প্রশ্নের অফার সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করুন এবং পরীক্ষার তথ্য শুধু পিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (bpsc.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করুন।
সূত্র
- দ্য ডেইলি স্টার — ছয় পিএসসি কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (৮ জুলাই ২০২৪) — প্রতিবেদন পড়ুন
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) — সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীসহ একই গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (জুলাই ২০২৪) — প্রতিবেদন পড়ুন
- নিউ এজ — প্রশ্নফাঁসে ১৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
- প্রথম আলো ইংরেজি — দুই পিএসসি উপপরিচালকসহ গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
- বিডিনিউজ২৪.কম — ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- ফাঁস প্রশ্ন বা গ্যারান্টিযুক্ত সাজেশনের কথা বলে।
- পরীক্ষার আগে গোপন চ্যানেলে টাকা নেয়।
- টাকা পাওয়ার পর ভুয়া কনটেন্ট দেয় বা ব্লক করে।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- ফাঁস প্রশ্নের অফারকে প্রতারণা ধরে নিন।
- পরীক্ষার শর্টকাটে ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা দেবেন না।
- শুধু অফিসিয়াল প্রস্তুতি উপকরণ ব্যবহার করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
প্রশ্ন কিনতে গেলে টাকা, ভবিষ্যৎ ও আইনি নিরাপত্তা সবই ঝুঁকিতে পড়ে।