মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন ১৮ বাংলাদেশি
খবরে বলা হয়, চাকরির প্রলোভনে বিদেশে নিয়ে গিয়ে ভুক্তভোগীদের স্ক্যাম সেন্টারে সাইবার প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হচ্ছিল।
১৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে টিবিএস জানায়, মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে আটকে পড়া ১৮ বাংলাদেশি থাইল্যান্ড হয়ে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিআইডি ও থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসের সমন্বয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।
ভুক্তভোগীদের থাইল্যান্ডে ভালো চাকরির কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর সীমান্ত শহর মিয়াওয়াদি-তে পাচার করা হয়। অনেককে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণায় যুক্ত করা হয়; যারা অস্বীকার করেছেন তাদের বৈদ্যুতিক শক দেওয়াসহ নির্যাতন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
বিদেশে চাকরি নিতে হলে অফিসিয়াল ম্যানপাওয়ার চ্যানেল, ভিসা, চুক্তি ও নিয়োগকর্তার সত্যতা আগে যাচাই করুন। যাচাই ছাড়া যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
সূত্র
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) — মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টার থেকে ১৮ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, থাইল্যান্ডের মাধ্যমে পাচার ও নির্যাতনের বিবরণ প্রকাশ করে (১৯ মার্চ ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন
- নিউ এজ — একই উদ্ধার ঘটনার খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
- ঢাকা ট্রিবিউন — একই ঘটনার খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- বেশি বেতন বা নিশ্চিত আয়ের লোভ দেখানো হয়।
- প্রসেসিং/ট্রেনিং/অ্যাক্টিভেশনের নামে টাকা নেওয়া হয়।
- টাকা দেওয়ার পর ব্লক করে বা আবার টাকা চায়।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- টাকা দেওয়ার আগে লাইসেন্স, অফিস ও রেকর্ড যাচাই করুন।
- গ্যারান্টিযুক্ত আয়ের কথা বললে ঝুঁকি ধরে নিন।
- সব রসিদ ও কথোপকথনের প্রমাণ রেখে দিন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
বিদেশে চাকরির ভুয়া অফার অনেক সময় মানবপাচার ও জোরপূর্বক সাইবার অপরাধে পরিণত হয়।