ভুয়া রাশিয়া ভিসা-চাকরি স্ক্যাম: ২৮ ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১.২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ
সিআইডি জানায়, একটি চক্র বিদেশে চাকরি, ভিসা ও টিকিটের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বড় অংকের টাকা নিয়ে ভুয়া কাগজপত্র দিত।
২০২৫ সালের নভেম্বরে সিআইডি মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া থেকে আব্দুল্লাহ (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করে — যিনি বনানীর সৈনিক ক্লাবের কাছে একটি ভুয়া অফিস থেকে ২৮ জনের পাসপোর্ট ও মোট ১.২২ কোটি টাকা নিয়েছেন রাশিয়ায় চাকরির আশ্বাসে। প্রতারণা চলেছে মার্চ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত।
পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার পর ভুয়া রাশিয়ান ভিসা ও জাল এয়ার টিকিট দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীরা অনলাইনে যাচাই করে প্রতারণা বুঝতে পারেন। বনানী থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
বিদেশে চাকরির আগে বিএমইটি (জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে যাচাই করুন — কোনো কাগজ বা টাকা দেওয়ার আগে।
সূত্র
- বিএসএস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা) — রাশিয়া ভিসা-চাকরি প্রতারণায় ২৮ ভুক্তভোগীর ১.২২ কোটি টাকা আত্মসাতকারী চক্রের মূলহোতা আব্দুল্লাহকে সিআইডির গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (নভেম্বর ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- বিদেশে চাকরি/পড়াশোনার নামে বড় অংকের টাকা নেওয়া হয়।
- পরে ভুয়া বা অকার্যকর কাগজপত্র দেওয়া হয়।
- বড় ক্ষতির পর প্রতারণা ধরা পড়ে।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- এজেন্সির লাইসেন্স ও বৈধতা আগে যাচাই করুন।
- ভিসা/ভর্তি কাগজ অফিসিয়াল কর্তৃপক্ষে মিলিয়ে দেখুন।
- ধাপে ধাপে টাকা দিন এবং সব রসিদ রাখুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
লাইসেন্স ও দূতাবাস-স্তরের নথি যাচাই ছাড়া বিদেশে চাকরির নামে বড় অংকের টাকা দেবেন না।