ফিরে যান
চাকরির প্রতারণা২৬ ফেব, ২০২৪1 মিনিট পড়াThe Daily Star
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন বিক্রির নামে প্রতারণা: ২ জন গ্রেপ্তার
পুলিশ জানায়, ভুয়া পরিচয়, ফেসবুক ও টেলিগ্রাম ব্যবহার করে ঢাবির প্রশ্ন পাইয়ে দেওয়ার নামে ভর্তি-ইচ্ছুকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছিল।
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে দ্য ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়, ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে উঠে আসে, তারা ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুক ও টেলিগ্রামে ভর্তি-প্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ করে আগাম টাকা চাইত। অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষার আগে এক অংশ, পরে বাকি টাকা নেওয়ার চুক্তি করত।
শিক্ষা: পরীক্ষার চাপকে প্রতারকেরা ব্যবসায় পরিণত করে। "প্রশ্ন দেবে", "নিশ্চিত ভর্তি"- এমন অফারে কখনো টাকা দেবেন না; স্ক্রিনশটসহ দ্রুত অভিযোগ করুন।
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- ফাঁস প্রশ্ন বা গ্যারান্টিযুক্ত সাজেশনের কথা বলে।
- পরীক্ষার আগে গোপন চ্যানেলে টাকা নেয়।
- টাকা পাওয়ার পর ভুয়া কনটেন্ট দেয় বা ব্লক করে।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- ফাঁস প্রশ্নের অফারকে প্রতারণা ধরে নিন।
- পরীক্ষার শর্টকাটে ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা দেবেন না।
- শুধু অফিসিয়াল প্রস্তুতি উপকরণ ব্যবহার করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
কোনো বৈধ পরীক্ষার কর্তৃপক্ষ অনলাইনে প্রশ্ন বিক্রি করে না। টাকা নিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার মানেই প্রতারণার সংকেত।
সম্পর্কিত গল্প
সম্পর্কিত গল্প
১৩ জানু, ২০২৬
টেলিগ্রাম চাকরি প্রতারণা চক্র: গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৫ চীনা নাগরিক, জানায় সিআইডি
আরও পড়ুন১১ জানু, ২০২৬
টেলিগ্রাম টাস্ক প্রতারণা: ১.১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় সিআইডির হাতে আরেক সদস্য গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন০৮ জানু, ২০২৬