মূল কনটেন্টে যান
ব্লগ
চাকরির প্রতারণা|১৫ জুল, ২০২৫

স্টাডি-এব্রড প্রতারণা মামলা: ১৪১ শিক্ষার্থী প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশে ভর্তি ও সংশ্লিষ্ট সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।

শেয়ার:

১৫ জুলাই ২০২৫ তারিখে Prothom Alo English-এর প্রতিবেদনে বিদেশে পড়াশোনা সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির আড়ালে বড় ধরনের প্রতারণার তথ্য উঠে আসে। সেখানে ১৪১ শিক্ষার্থী ও প্রায় ১৮২.৯৬ মিলিয়ন টাকার বিষয় উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি, ভিসা প্রসেসিংসহ বিভিন্ন সেবার নামে টাকা নেওয়া হয়। অর্থ নেওয়ার পর প্রতিশ্রুত ফল মেলেনি এবং উল্লেখযোগ্য অংশ একাধিক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে বলে তদন্তে বলা হয়।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য করণীয়: এজেন্সির লাইসেন্স, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার ও দূতাবাস-সম্পর্কিত নথি আলাদাভাবে যাচাই করুন। বড় পেমেন্ট একবারে না দিয়ে ধাপে ধাপে দিন এবং সব রসিদ সংরক্ষণ করুন।

প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে

  • বিদেশে চাকরি/পড়াশোনার নামে বড় অংকের টাকা নেওয়া হয়।
  • পরে ভুয়া বা অকার্যকর কাগজপত্র দেওয়া হয়।
  • বড় ক্ষতির পর প্রতারণা ধরা পড়ে।

নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়

  • এজেন্সির লাইসেন্স ও বৈধতা আগে যাচাই করুন।
  • ভিসা/ভর্তি কাগজ অফিসিয়াল কর্তৃপক্ষে মিলিয়ে দেখুন।
  • ধাপে ধাপে টাকা দিন এবং সব রসিদ রাখুন।

সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন

  1. 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
  2. 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
  3. 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
  4. 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।

প্রধান শিক্ষা

বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে এজেন্সির প্রতিশ্রুতির চেয়ে নথির সত্যতা যাচাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

#study-abroad#visa-fraud#admission-scam#students#money-laundering