বিদেশি পরিচয়ে গিফট স্ক্যাম: সিআইডির তথ্যে ১৬ ভুক্তভোগীর ক্ষতি ১.১৮ কোটির বেশি
সিআইডি জানায়, একটি চক্র ফেসবুকে বিদেশি সামরিক কর্মকর্তা সেজে গিফট/কাস্টমসের গল্পে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত।
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথম আলোর খবরে সিআইডির বিদেশি পরিচয়ভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানের তথ্য আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৬ ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১,১৮,৯৯,০০০ টাকার বেশি নেওয়া হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকেরা নিজেদের মার্কিন সেনা বা নৌবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে আবেগী সম্পর্ক তৈরি করত। এরপর গিফট, ডলার বা মূল্যবান জিনিস কাস্টমসে আটকে গেছে বলে ব্যাংক/মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল চ্যানেলে ধাপে ধাপে টাকা নিত।
এটি রোমান্স স্ক্যাম ও অগ্রিম-ফি প্রতারণার মিশেল। অনলাইনে পরিচিত কেউ গিফট রিলিজ, কাস্টমস বা ট্যাক্সের নামে টাকা চাইলে সেটিকে উচ্চ ঝুঁকি ধরে আগে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করুন।
সূত্র
- প্রথম আলো — ভুয়া মার্কিন সামরিক পরিচয়, গিফট ও কাস্টমসের গল্পে ১৬ ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১,১৮,৯৯,০০০ টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়া চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযানের খবর প্রকাশ করে (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) (সরাসরি URL প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি; মূল প্রতিবেদনে সূত্র নিশ্চিত)
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- ধীরে ধীরে আবেগী সম্পর্ক তৈরি করা হয়।
- বিশ্বাস পেতে ভুয়া বিদেশি/পেশাগত পরিচয় দেয়।
- জরুরি অবস্থা, ভ্রমণ, কাস্টমস বা ভিসার নামে টাকা চায়।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- টাকা দেওয়ার আগে পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।
- ব্যক্তিগত ছবি/নথি শেয়ার করবেন না।
- টাকা পাঠানোর আগে বিশ্বস্ত কারও সাথে কথা বলুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
আসল গিফট পেতে অচেনা অ্যাকাউন্টে বারবার টাকা পাঠাতে হয় না।