শিক্ষার্থী টার্গেট করে সাইবার চাঁদাবাজি: বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাতিল চিঠি পাঠানোর ফাঁদ
পুলিশ জানায়, এক অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিলের ভয় দেখিয়ে ইমেইল ও সোশ্যাল চ্যানেল ব্যবহার করে চাঁদাবাজির চাপ দিত।
১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে দ্য ডেইলি স্টার জানায়, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম টিম আব্দুল্লাহ আল জুনায়েদ (২১)-কে গ্রেপ্তার করে। তিনি একটি ফেসবুক পেজ চালিয়ে বৃত্তি-বিজয়ী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য পোস্ট করতেন এবং সরাসরি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইমেইল করে তাদের ভর্তি বাতিল করানোর চেষ্টা করতেন। ১২ ফেব্রুয়ারি একজন এইচএসসি শিক্ষার্থীর যুক্তরাষ্ট্রের বৃত্তি তাঁর ইমেইলের কারণে বাতিল হয়ে যায়। জুনায়েদ ৩০০-৪০০ শিক্ষার্থীকে এভাবে টার্গেট করার হুমকি দিয়েছিলেন।
শিক্ষার্থীদের করণীয়: সোশ্যাল মিডিয়া লক করুন, ভর্তির নথি বা প্রবন্ধ প্রকাশ্যে শেয়ার করবেন না, এবং হুমকিমূলক যোগাযোগ পেলে তাৎক্ষণিক স্ক্রিনশট নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন অফিস ও পুলিশকে জানান।
সূত্র
- দ্য ডেইলি স্টার — বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইমেইল করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল করানো ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল জুনায়েদকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (১৯ এপ্রিল ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- বিদেশে চাকরি/পড়াশোনার নামে বড় অংকের টাকা নেওয়া হয়।
- পরে ভুয়া বা অকার্যকর কাগজপত্র দেওয়া হয়।
- বড় ক্ষতির পর প্রতারণা ধরা পড়ে।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- এজেন্সির লাইসেন্স ও বৈধতা আগে যাচাই করুন।
- ভিসা/ভর্তি কাগজ অফিসিয়াল কর্তৃপক্ষে মিলিয়ে দেখুন।
- ধাপে ধাপে টাকা দিন এবং সব রসিদ রাখুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
ইমেইল বা চ্যাটে ভর্তি বাতিলের হুমকি এলে সেটিকে বিশ্ববিদ্যালয় নিশ্চিত না করা পর্যন্ত প্রতারণার চাপ ধরুন।