মূল কনটেন্টে যান
ফিরে যান
ই-কমার্স প্রতারণা২১ মার্চ, ২০২৫1 মিনিট পড়াCyberWise BD Awareness Post

রেল ই-টিকিট কালোবাজারি: সোশ্যাল মিডিয়ায় পুনর্বিক্রি ও পরিচয় অপব্যবহার

তদন্তে উঠে আসে, একাধিক অ্যাপ অ্যাকাউন্ট ও পরিচয় কৌশল ব্যবহার করে টিকিট ধরে রেখে অনলাইনে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল।

২০২৫ সালের মার্চে কর্তৃপক্ষ রেল ই-টিকিট কালোবাজারি চক্রের তথ্য জানায়, যেখানে একাধিক অ্যাপ অ্যাকাউন্ট ও পরিচয় কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী টিকিট সোশ্যাল পেজ/গ্রুপে বেশি দামে বিক্রি করা হতো। ক্রেতারা ভুয়া তথ্য বা টিকিট না পাওয়ার ঝুঁকিতে থাকতেন।

শুধু অফিসিয়াল রেল চ্যানেল ব্যবহার করুন এবং কেনার পরপরই PNR ও যাত্রীর তথ্য যাচাই করুন।


সূত্র

  • বিএসএস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা) — একাধিক এনআইডি নম্বরে অ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে রেলের ই-টিকিট বেশি দামে বিক্রির কালোবাজারি কার্যক্রমে একজনকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (২৯ মার্চ ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন
  • বিএসএস — স্টেশন কর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশে রেলের টিকিট কালোবাজারি চক্রের মাথাসহ ৮ জনকে র‍্যাবের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (মার্চ ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন

প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে

  • লোভনীয় অফার দেখিয়ে দ্রুত টাকা নিতে চায়।
  • লেনদেন করা হয় অননুমোদিত চ্যানেল বা প্রোফাইলে।
  • শেষে ভুয়া/ভুল পণ্য দেয় বা কিছুই দেয় না।

নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়

  • শুধু অফিসিয়াল/যাচাইকৃত চ্যানেল থেকে কিনুন।
  • আগেই পণ্যের তথ্য ও পেমেন্ট শর্ত ঠিক করুন।
  • অভিযোগের জন্য ইনভয়েস ও পেমেন্ট প্রমাণ রাখুন।

সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন

  1. 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
  2. 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
  3. 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
  4. 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।

প্রধান শিক্ষা

সংকট আর তাড়াহুড়ো একসাথে থাকলে পুনর্বিক্রয় প্রতারণা বাড়ে। অফিসিয়াল সিস্টেমেই টিকিট নিন।

সম্পর্কিত গল্প

১৬ ফেব, ২০২৬

কক্সবাজার স্ক্যাম অ্যালার্ট: ভ্রমণকারীদের জন্য জরুরি সেফটি টিপস

আরও পড়ুন
০৫ জানু, ২০২৫

আমি একটি আইফোন অর্ডার করেছিলাম, একটি ইট পেলাম

আরও পড়ুন