সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি তদন্ত: বাংলাদেশ ব্যাংক ৩টি হিসাব জব্দ করে
খবরে বলা হয়, সঞ্চয়পত্র জালিয়াতির ঘটনায় টাকা উত্তোলন ও আরও উত্তোলনের চেষ্টার প্রমাণ মেলায় বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো জব্দ করে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে টিবিএস জানায়, জাতীয় সঞ্চয়পত্র জালিয়াতির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক ৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। আক্রমণকারীরা অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশাধিকার ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্র হোল্ডারদের ফোন নম্বর ও ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন করে। শনাক্তের আগেই ২৫ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়। মতিঝিল থানায় মামলা হয়; আরিফুর রহমান মিম গ্রেপ্তার হন এবং সাবেক জেসিডি নেতা মো. মারুফ এলাহী রনিও আসামিদের তালিকায় রয়েছেন।
মূল ঝুঁকি: অভ্যন্তরীণ তথ্য চুরি হলে সঞ্চয়পত্র অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার খুব দ্রুত বড় ক্ষতিতে রূপ নিতে পারে।
সঞ্চয়পত্র/বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় থাকলে ট্রানজেকশন অ্যালার্ট চালু রাখুন, নিয়মিত স্টেটমেন্ট মিলান, অস্বাভাবিকতা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক ও নিয়ন্ত্রককে জানান।
সূত্র
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) — সঞ্চয়পত্র সার্ভার জালিয়াতিতে ৩টি হিসাব জব্দের খবর প্রকাশ করে (৩০ অক্টোবর ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) — সঞ্চয়পত্র সিস্টেম লঙ্ঘনে ২৫ লাখ টাকা চুরির খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) — সঞ্চয়পত্র জালিয়াতিতে ১ গ্রেপ্তার এবং সাবেক জেসিডি নেতাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার খবর প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- প্রতারক ব্যাংক/এমএফএস সাপোর্ট বা কর্মকর্তা সেজে কথা বলে।
- OTP/PIN/রিসেট তথ্য নিয়ে নেয়।
- এরপর সাথে সাথে অননুমোদিত লেনদেন শুরু হয়।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- কল বা মেসেজে OTP/PIN/CVV দেবেন না।
- শুধু অ্যাপ/কার্ডের অফিসিয়াল নম্বরে কল করুন।
- সন্দেহজনক লেনদেন দেখলে সাথে সাথে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
আর্থিক জালিয়াতিতে দ্রুত শনাক্তকরণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ; দেরিতে রিপোর্ট করলে ক্ষতি বাড়ে।