ভুয়া ই-অ্যাপোস্টিল সাইট উন্মোচন: নাগরিকের সংবেদনশীল নথি ঝুঁকিতে
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে একটি ভুয়া অ্যাপোস্টিল পোর্টাল ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নথি ও পেমেন্ট তথ্য ঝুঁকিতে ফেলার অভিযোগ উঠে আসে।
২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে সরকারি পরিচয় অনুকরণ করা একটি ভুয়া ই-অ্যাপোস্টিল ওয়েবসাইটের তথ্য উঠে আসে।
প্রতিবেদনে উঠে আসে, ভুয়া সাইটটি একটি নিউজ ডোমেইনে পরিচালিত হতো এবং সরকারের অফিসিয়াল মাইগভ ই-অ্যাপোস্টিল সার্ভিসের হুবহু নকল করত। এটি ভুয়া অ্যাপোস্টিল সনদ তৈরি করত এবং ১,১০০-এর বেশি নাগরিকের রেকর্ড উন্মুক্ত হয়ে পড়ে — জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, সার্টিফিকেট, বিবাহ নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স ও অন্যান্য ব্যক্তিগত নথিসহ। দুর্বল সিকিউরিটির কারণে একটি আইডি থেকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে অন্য ব্যবহারকারীদের তথ্যেও প্রবেশ করা সম্ভব ছিল।
পাসপোর্ট, এনআইডি বা সার্টিফিকেট আপলোড করার আগে সরকারের আসল ডোমেইন নিশ্চিত করুন এবং অফিসিয়াল ঘোষণার সঙ্গে মিলিয়ে নিন। সোশ্যাল মিডিয়ার লিংক বা ফরোয়ার্ড করা বার্তা থেকে খোলা কোনো সাইটে নথি দেবেন না।
সূত্র
- ঢাকা ট্রিবিউন — ভুয়া ই-অ্যাপোস্টিল সাইটে ১,১০০+ রেকর্ড ফাঁসের তথ্য প্রকাশ করে (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) — প্রতিবেদন পড়ুন
- ঢাকা ট্রিবিউন — অ্যাপোস্টিল সেবার জন্য কেবল মাইগভ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া পৃথক নিবন্ধ প্রকাশ করে — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- সরকারি/পরিচিত সাইটের ডিজাইন নকল করা হয়।
- পরিচয়পত্র আপলোড বা ভুয়া ফি দিতে বলা হয়।
- তথ্য ফাঁস হয় বা পরিচয় জালিয়াতিতে ব্যবহার হয়।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- নথি দেওয়ার আগে ডোমেইন ঠিক আছে কি না দেখুন।
- শুধু অফিসিয়াল বুকমার্ক করা লিংক ব্যবহার করুন।
- lookalike সাইট দেখলে দ্রুত রিপোর্ট করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
অনলাইনে পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার আগে ডোমেইন যাচাই বাধ্যতামূলক।