মূল কনটেন্টে যান
ব্লগ
ফিশিং|১৬ জানু, ২০২৬

এনআইডি তথ্য বিক্রির সিন্ডিকেট: সিআইডির তথ্যে ব্যাপক অবৈধ অ্যাক্সেস

সিআইডি জানায়, এক মাসে লাখ লাখ এনআইডি রেকর্ডে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, যা নাগরিকদের পরিচয়ভিত্তিক প্রতারণার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

শেয়ার:

১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে সিআইডির এনআইডি-তথ্য বিক্রির চক্র নিয়ে অনুসন্ধানের তথ্য প্রকাশ হয়। সেখানে এক সপ্তাহে ১,১২,১৫০ এবং ৩০ দিনে ৩,৬৫,৬০৮ রেকর্ড অ্যাক্সেসের কথা উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রতি রেকর্ড ২০০-৩০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ রয়েছে এবং উচ্চ মূল্য ধরলে অবৈধ আয় প্রায় ১১ কোটির কাছাকাছি হতে পারে। তদন্তকারীরা OTP-ভিত্তিক অ্যাক্সেস অপব্যবহার ও গোপন লগইন তথ্য ভাগাভাগির বিষয়ও উল্লেখ করেন।

নাগরিকের জন্য NID তথ্য ফাঁস মানে সিম প্রতারণা, অ্যাকাউন্ট টেকওভার ও টার্গেটেড social engineering-এর ঝুঁকি। অ্যাকাউন্ট অ্যালার্ট চালু রাখুন, ব্যক্তিগত তথ্য অযথা শেয়ার করবেন না, এবং অচেনা রেজিস্ট্রেশন/লেনদেন দেখলে সাথে সাথে রিপোর্ট করুন।

প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে

  • ফাঁস হওয়া পরিচয়তথ্য অবৈধভাবে বিক্রি/ছড়ানো হয়।
  • এটি দিয়ে সিম/অ্যাকাউন্ট অপব্যবহার ও পরিচয় জালিয়াতি করা হয়।
  • এরপর টার্গেটেড নতুন প্রতারণা শুরু হয়।

নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়

  • টেলিকম, ব্যাংক ও এমএফএসে অ্যালার্ট চালু রাখুন।
  • অচেনা রেজিস্ট্রেশন/কার্যক্রম নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
  • গুরুত্বপূর্ণ পাসওয়ার্ড/রিকভারি তথ্য দ্রুত বদলান।

সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন

  1. 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
  2. 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
  3. 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
  4. 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।

প্রধান শিক্ষা

পরিচয়তথ্য ফাঁসের পর একাধিক দ্বিতীয় ধাপের প্রতারণা হতে পারে; আগেভাগে অ্যাকাউন্ট মনিটর করুন।

#nid#data-breach#identity-fraud#cid#otp-abuse