ফিরে যান
ব্যাংকিং প্রতারণা২৮ মার্চ, ২০২৪1 মিনিট পড়াCyberWise BD Awareness Post
ডিজিটাল হুন্ডি চক্র: সিআইডির তথ্যে ৪০০ কোটি টাকা পাচার
প্রথম আলোর খবরে সিআইডি জানায়, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে একটি ডিজিটাল হুন্ডি চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে প্রথম আলো জানায়, ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে সিআইডি ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চক্রের মূল হোতা শাহিদুল ইসলাম ওরফে মামুন ২০২০ সাল থেকে দুবাইয়ে বসে একটি কাস্টম অ্যাপের মাধ্যমে ৪১টি এমএফএস নম্বরে অর্থ পরিচালনা করতেন। চক্রটি প্রায় ১৫০টি এমএফএস এজেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা সরিয়ে নিত।
মূল সতর্কবার্তা: নিজের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না, এবং উৎস অজানা বড় অঙ্কের লেনদেন থেকে দূরে থাকুন।
সূত্র
- প্রথম আলো — দুবাই-পরিচালিত ডিজিটাল হুন্ডি নেটওয়ার্কে এমএফএস এজেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে সিআইডির ৫ জনকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে (২৮ মার্চ ২০২৪) — প্রতিবেদন পড়ুন
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- প্রতারক ব্যাংক/এমএফএস সাপোর্ট বা কর্মকর্তা সেজে কথা বলে।
- OTP/PIN/রিসেট তথ্য নিয়ে নেয়।
- এরপর সাথে সাথে অননুমোদিত লেনদেন শুরু হয়।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- কল বা মেসেজে OTP/PIN/CVV দেবেন না।
- শুধু অ্যাপ/কার্ডের অফিসিয়াল নম্বরে কল করুন।
- সন্দেহজনক লেনদেন দেখলে সাথে সাথে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
লেনদেনের উৎস ও উদ্দেশ্য পরিষ্কার না হলে নিজের অ্যাকাউন্ট দিয়ে তা করবেন না।
সম্পর্কিত গল্প
০৫ জুন, ২০২৬
Gmail থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দখল: চট্টগ্রামে MFS ব্যবসায়ীর প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা ক্ষতি
আরও পড়ুন২৪ ফেব, ২০২৬
ভিক্ষুকের বিকাশ-নগদ অ্যাকাউন্টে জরুরি ফোন প্রতারণা: সিআইডির অভিযানে দম্পতি গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন১৬ ফেব, ২০২৬