ব্লগ
ব্যাংকিং প্রতারণা|১৬ মার্চ, ২০২৪
চীনা প্রতারক চক্র: ঢাকায় ৩ স্থানীয় সহযোগী গ্রেপ্তার
ডিবি জানায়, স্থানীয় সহযোগীরা ব্যাংক/এমএফএস চ্যানেল, বহু সিম ও ক্রিপ্টো রুট ব্যবহার করে সীমান্তপারের অনলাইন প্রতারণা নেটওয়ার্কে কাজ করছিল।
শেয়ার:
১৬ মার্চ ২০২৪ তারিখে দ্য ডেইলি স্টার জানায়, চীনা নেতৃত্বাধীন একটি প্রতারণা চক্রের ৩ স্থানীয় সহযোগীকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
ডিবির ব্রিফিং অনুযায়ী, চক্রটি অনলাইন জুয়া ও ভুয়া সাইটের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করত; পরে ব্যাংক, বিকাশ, নগদ অ্যাকাউন্ট ও ক্রিপ্টো রুটে অর্থ সরাত।
এই ঘটনা দেখায়, অন্যের হয়ে অ্যাকাউন্ট/সিম ব্যবহার করাও বড় ঝুঁকি। "কমিশন"-এর লোভে নিজের ব্যাংক, এমএফএস, সিম বা KYC তথ্য কাউকে দেবেন না।
প্রতারকরা সাধারণত যেভাবে কাজ করে
- প্রতারক ব্যাংক/এমএফএস সাপোর্ট সেজে OTP/PIN চায়।
- জরুরি ভেরিফিকেশন/আপডেটের কথা বলে চাপ দেয়।
- গোপন কোড পেয়েই অ্যাকাউন্ট রিসেট করে টাকা সরিয়ে ফেলে।
নিরাপদ থাকার বাস্তব উপায়
- OTP, PIN, CVV বা রিসেট কোড কখনো শেয়ার করবেন না।
- সন্দেহ হলে অ্যাপ/কার্ডের অফিসিয়াল নম্বরে কল করুন।
- সন্দেহজনক লেনদেন দেখলেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করুন।
সন্দেহ হলে এখনই যা করবেন
- 1সাথে সাথে যোগাযোগ বন্ধ করুন; আর টাকা বা কোড পাঠাবেন না।
- 2প্রমাণ রাখুন: স্ক্রিনশট, নম্বর, লিংক, ট্রানজেকশন আইডি, সময়।
- 3ব্যাংক/এমএফএস/অপারেটরে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাক্সেস ফ্রিজ করুন।
- 4দ্রুত জিডি করুন এবং সাইবার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।
প্রধান শিক্ষা
অ্যাকাউন্ট বা সিম শেয়ার করলে আপনি নিজেই প্রতারণা চক্রের সহযোগী বা আইনি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে পারেন।
#cross-border-fraud#crypto#bkash#nagad#sim-abuse#money-mule